পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফরিদপুরে লজ্জাজনক রেকর্ড গড়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্যাহর সংসদীয় আসন হিসাবে বিবেচিত সদরপুর উপজেলার চর মানাইর ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মো. বজলু মাতুব্বর। বুধবার (০৫ জানুয়ারী) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি মাত্র ৫৬টি ভোট পেয়ে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে সপ্তম হয়েছেন। একই সঙ্গে খুঁইয়েছেন জামানত। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্বাধীনতা পরবর্তী যে কোনও সময়ে এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রার্থী এত কম সংখ্যক ভোট পাননি। এ ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীও ২ শতাধিক বেশি ভোট পেয়েছেন। তাছাড়া ফরিদপুরের ৯টি উপজেলার কোন ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী এত কম সংখ্যক ভোট পাননি। নৌকা প্রতিকে এত কম ভোট পাওয়ো নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে। অনেকেই এটি লজ্জার রেকর্ড অভিহিত করে বলেছেন, টাকার বিনিময়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন না দিয়ে অযোগ্য ও সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার কারনেই এমনটি হয়েছে। সদরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন, চর মানাইর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কম ভোট পাওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখবেন। প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটি থাকলেও কি কারণে নৌকার প্রার্থী কম ভোট পেলেন তা দেখা হবে। এদিকে নৌকার পরাজিত প্রার্থী বজলু মাতুব্বর জানান, তিনি নৌকা প্রতীক পেলেও তার পক্ষে আওয়ামী লীগের কোনও নেতা প্রচার প্রচারণায় অংশ নেননি। তাছাড়া আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে তারা কাজ করেছেন। এ ইউনিয়নে চশমা প্রতীক নিয়ে ৩ হাজার ৩০০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফরিদপুরের সদরপুর ও মধুখালী উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং নৌকা প্রতিকের ৫ প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফরিদপুরে লজ্জাজনক রেকর্ড গড়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্যাহর সংসদীয় আসন হিসাবে বিবেচিত সদরপুর উপজেলার চর মানাইর ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মো. বজলু মাতুব্বর।

বুধবার (০৫ জানুয়ারী) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি মাত্র ৫৬টি ভোট পেয়ে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে সপ্তম হয়েছেন। একই সঙ্গে খুঁইয়েছেন জামানত।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্বাধীনতা পরবর্তী যে কোনও সময়ে এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রার্থী এত কম সংখ্যক ভোট পাননি।

এ ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীও ২ শতাধিক বেশি ভোট পেয়েছেন। তাছাড়া ফরিদপুরের ৯টি উপজেলার কোন ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী এত কম সংখ্যক ভোট পাননি। নৌকা প্রতিকে এত কম ভোট পাওয়ো নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে।

অনেকেই এটি লজ্জার রেকর্ড অভিহিত করে বলেছেন, টাকার বিনিময়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন না দিয়ে অযোগ্য ও সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার কারনেই এমনটি হয়েছে।

সদরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন, চর মানাইর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কম ভোট পাওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখবেন। প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটি থাকলেও কি কারণে নৌকার প্রার্থী কম ভোট পেলেন তা দেখা হবে।

এদিকে নৌকার পরাজিত প্রার্থী বজলু মাতুব্বর জানান, তিনি নৌকা প্রতীক পেলেও তার পক্ষে আওয়ামী লীগের কোনও নেতা প্রচার প্রচারণায় অংশ নেননি। তাছাড়া আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে তারা কাজ করেছেন।

এ ইউনিয়নে চশমা প্রতীক নিয়ে ৩ হাজার ৩০০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

এদিকে বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফরিদপুরের সদরপুর ও মধুখালী উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং নৌকা প্রতিকের ৫ প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*