পরিবারের সবার ভোট না পেয়ে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিলেন পরাজিত প্রার্থী

পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আশুগঞ্জ উপজেলার১৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ১২টিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান ফলাফলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরিবারের সব সদস্যের ভোট না পেয়ে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছেন পরাজিত প্রার্থী মানিকুর রহমান মানিক। তিনি রামরাইল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মানিকের বাড়ি ওই ইউনিয়নের বিজেশ্বর গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রামরাইল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মানিক আপেল প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ৩ ভোট। তবে তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ৬ জন ভোটার রয়েছেন। এছাড়া নির্বাচনে ঘুড়ি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মানিকের চাচা আতিকুর রহমান পেয়েছেন ২০৮ ভোট। নির্বাচনে সিলিং ফ্যান প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী লুক্কু মিয়া ৪৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

ভোটে হেরেই ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) সকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন মানিক।

এ বিষয়ে মানিকুর রহমান মানিক জানান, বাবা ও দুই ভাই তাকে ভোট দেননি। তবে তার মা এবং স্ত্রী ভোট দিয়েছেন। এমনকি ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বরত তার পোলিং এজেন্টরাও তাকে ভোট দেননি। ফলে আজ তিনি একান্নবর্তী পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*