থার্টি ফার্স্টে জনশূন্য কক্সবাজার, হতাশ হোটেল ব্যবসায়ীরা

থার্টি ফার্স্টে জনশূন্য কক্সবাজার, হতাশ হোটেল ব্যবসায়ীরা

প্রতি বছর ইংরেজি নববর্ষ বরণে থার্টিফার্স্ট নাইট সামনে রেখে পর্যটন শহর কক্সবাজারে লাখো পর্যট’কের সমাগম দেখা গেলেও এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। নেই আশানুরূপ পর্যট’ক। জানা গেছে, কক্সবাজারের সাড়ে চার শতাধিক হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউসে অর্ধেকেরও বেশি কক্ষ ফাঁকা। সম্প্রতি এক নারীকে ধ’র্ষণের ঘটনায় এ রকম রিরূপ প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে হোটেল মোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতি বছর থার্টিফার্স্ট নাইট ও নববর্ষ উদযাপনে কম হলেও লক্ষাধিক পর্যট’ক কক্সবাজার ভ্রমণে আসেন। কিন্তু এ বছর ভিন্ন চিত্র। যে কারণে তারা হতাশ।

এ বিষয়ে কলাতলীর হোটেল সি উত্তরার প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তা (সিইও) মো. ওসমান গনি সাংবাদিকদের বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের চিত্র ভিন্ন। পুরো কক্সবাজারের কোনো হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউসে তেমন পর্যট’ক নেই। করো’নাকালের দীর্ঘ মন্দা কাটিয়ে আম’রা মনে করছিলাম, পর্যটনে কিছুটা সুদিন আসবে।

এ সময় কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বলেন, বাস্তবে কক্সবাজারে কিন্তু পর্যট’কদের নিরাপত্তাজনিত কোনো সমস্যা নেই। সম্প্রতি যেটি ঘটেছে এটি বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা। আম’রা এ ঘটনায় জ’ড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি চাই।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি খাবারের দাম বেশি নেওয়া এবং ধ’র্ষণ এ দুটি ঘটনায় কক্সবাজারের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার জে’লা প্রশাসক মো.মামুনুর রশীদ সাংবাদিকদের জানান, সমুদ্র সৈকতসহ আশপাশের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে টুরিস্ট পু’লিশের পাশাপাশি জে’লা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমান টিম কাজ করছে। তাদের সকলের লক্ষ্য পর্যট’কদের নিরাপত্তা দেওয়া।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*